ek999 Logo - অফিসিয়াল ek999 - ek999 Verified Bangladeshi | Bonus দ্রুত ⚡

এক999 থেকে মোবাইল গেম ডাউনলোড করে আমার নাতির সাথে পাল্লা দেওয়া: এ কেমন যন্ত্রণা!

· অফিসিয়াল

এক999 থেকে মোবাইল গেম ডাউনলোড করে আমার নাতির সাথে পাল্লা দেওয়া: এ কেমন যন্ত্রণা!

সারাদিন নাতিকে দেখি মোবাইল টিপছে আর হাসছে। আমি বলতাম, “এই ছেলে, মোবাইল থেকে চোখ সরা! বই পড়, মাঠে খেল!” সে শুধু মুচকি হাসতো। সেদিন হঠাৎ আমাকে চ্যালেঞ্জ করে বসলো, “দাদু, তুমি একটা গেম খেলে দেখ তো!” আমি তো অবাক! জীবনে মোবাইল গেম খেলিনি, খেলবো কী করে?

সে বলল, “দাদু, চিন্তা করো না। ek999-এ যাও, ওখানে সহজ গেমও পাবে।” তার কথা শুনে বেশ কৌতূহল হলো। বিকেলে নাতির সাহায্য নিয়ে ek999-এ ঢুকলাম। ‘মোবাইল গেম’ সেকশনে গিয়ে একটা রঙিন ‘পাজল গেম’ ডাউনলোড করলাম। নাতি বলল, “এটা সোজা, দাদু। তুমি পারবে!”

আমার প্রথম মোবাইল গেমিংয়ের অভিজ্ঞতা:

  • প্রথমেই ধাক্কা খেলাম! স্ক্রিনে টাচ করতে গিয়ে বারবার ভুল করছি। নাতি তো হেসেই খুন।
  • এক লেভেল পার করতে আমার আধ ঘণ্টা লেগে গেল। এইটুকু খেলার জন্য এত মনোযোগ? ছেলেপুলেরা সারাদিন এটা নিয়েই থাকে!
  • চোখ ব্যথা করছে, আঙুল টিপতে টিপতে ব্যথা হয়ে গেল। এ তো দেখছি ব্যায়ামের চেয়েও কঠিন!
  • কিন্তু মজার বিষয় হলো, যখন একটা লেভেল পার করলাম, তখন মনে হলো যেন বিশ্বকাপ জিতে গেছি! একটা অদ্ভুত উত্তেজনা কাজ করলো।

এখন আমি বুঝি, কেন নাতি সারাদিন মোবাইল নিয়ে পড়ে থাকে। যদিও আমার জন্য এটা এক প্রকার ‘যন্ত্রণা’ই বটে, কিন্তু মাঝে মাঝে নাতির সাথে পাল্লা দিতে বেশ মজা লাগছে। ek999 থেকে গেম ডাউনলোড করে এই নতুন জগতে প্রবেশ করে আমার নাতির সাথে একটা নতুন সম্পর্ক তৈরি হলো। যদিও আমি এখনো তার স্কোর ভাঙতে পারিনি, কিন্তু চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি! এই ek999-এ দেখছি সব বয়সের মানুষের জন্য কিছু না কিছু আছে। তবে হ্যাঁ, চোখে চশমা আর আঙুলে ব্যথা নিয়ে গেম খেলাটা যে কি কঠিন, সেটা তারাই বুঝবে যারা আমার মতো ৬০ পার করেছেন!

সম্পর্কিত নিবন্ধ